হালদা পাড়ে মাছের রেণু বিক্রির উৎসব

শফিউল আলম, রাউজানঃ প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে গত ২৩ মে মা মাছ ডিম ছাড়ে । রাউজান হাটহাজারীর ৬শত ১৬ জন ডিম সংগ্রহকারী ২শত ৮০ টি নৌকা নিয়ে হালদা নদী থেকে ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি ডিম সংগ্রহ করেন । ডিম সংগ্রহ করার পর ডিম সংগ্রহকারীরা রাউজানের দুটি হ্যচারীও হাটহাজারীর তিনটি হ্যচারী, নদীর তীরে খনন করা মাটির কুয়ায় মা মাছের ডিম থেকে রেণু ফুটানের কাজ শুর করেন । মা মাছের ডিম থেকে রেনু ফুটানের পর গত ২৬ মে মঙ্গলবার থেকে ডিম সংগ্রহকারীরা রেনু বিক্রয় শুরু করে। দেশের বিভিন্ন এলাকা ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মৎস হ্যচারীর মালিক, মাছ চাষীরা এসে হালদা নদীর মা মাছ থেকে উৎপাদিত রেনু ক্রয় করছে। হালদা নদীর মা মাছৈর রেনু ক্রয় করতে আসা মৎস হ্যচারীর মালিক ও মাছ চাষীরা রেনু ক্রয় করতে আসা ও রেনু ক্রয় করে যাতায়াতের জন্য রাউজান উপজেলা ও হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন তাদের যানবাহন চলাচলে অনুমতি দিয়েছে বলে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ জানান । রাউজান উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার পিযুষ প্রভাকর বলেন, হালদা নদীর মা মাছের সংগৃহিত ডিম থেকে উৎপাদিত রেনু প্রতি কেজি ৫০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা করে বিক্রয় করছে ডিম সংগ্রহকারীরা । এবারে হালদা নদীর মা মাছের সংগৃহিত ডিমের পরিমান ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি । ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি ডিম থেকে ১০ হাজার কেজি রেুনু উৎপাদিত হবে। প্রতি কেজি রেনু আনুপাতিক হারে ৫০ হাজার টাকা করে বিক্রয় করা হলে ১০ হাজার রেনু বিক্রয় করে ৫০ কোটি টাকা আয় করবে ডিম সংগ্রহকারীরা । হালদা নদীর মা মাছের ছাড়া ডিম খেকে উৎপাদিত রেনু ক্রয় করে নিয়ে গিয়ে মৎস হ্যচারীর মালিক ও মাছ চাষীরা কয়েক হাজার কোটি টাকার মাছ উৎপাদন করবেন । হালদা নদীর রেনু বিক্রয় করার সময়ে হালদা নদীর রেনুর সাথে অন্য জায়গা থেকে আনা মাছের রেনু মিশিয়ে যাতে বিক্রয় করতে না পেরে এ ব্যাপারে রাউজান উপজেলা ও হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারী রেখেছে বলে জানান, রাউজান উপজেলা মৎস সম্প্রসারণ অফিসার আবদুল্ল্যাহ আল মামুন ।