রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা নিহত

শফিউল আলম, রাউজান: রাউজান উপজেলার পুর্ব গুজরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আধারমানিক এলাকার বাসিন্দা আবদুল মোনাফের পুত্র মুজিব (৫০) বাড়ী থেকে ইফতার করে বাড়ীর পাশে অলিমিয়ার হাট এলাকায় যায়। অলিমিয়ার হাটে যুবদল নেতা মুজিবকে লক্ষ্য করে মোটর সাইকেলে আসা দুবৃত্তরা গুলি করে। ঘটনাস্থলে যুবদল নেতা নিহত হয়। ঘটনার সময়ে তার খালাত ভাই কৃষক দল নেতা বেলাল ঘটনাস্তলের অদুরে থেকে গুলির শব্দ শুনে দৌড়ে আসতে চাইলে দুবৃত্তরা তাকে ও গুলি করতে যায়। ঐ সময়ে বেলাল দৌড়ে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। ঘটনার পর পর নিহত যুবদল নেতাকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা ও তার স্বজনেরা। হাসপাতালের কতব্যরত রত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত যুবদল নেতা মুজিবের স্ত্রী শাহানাজ আকতার বলেন. ঘরে ইফতার করে ঘর থেকে অলিমিয়ার হাট বাজারে যায় আমার স্বামী অলিমিয়ার হাট বাজারে তাকে দুবৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে । এর আগে মুজিবকে আরো দুই দফা মারধর করে। নিহত যুবদল নেতা মুজিবের ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি নোয়াপাড়া পথের হাটে ছিলাম আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে শুনে আমি হাসপাতালে আসছি। নিহত যুবদল নেতা মুজিবের খালাত ভাই কৃষক দলের নেতা বেলাল বলেন, ঘটনার সময়ে আমি গুলির শব্দ শুনে দৌড়ে আসার চেষ্টা করলে দুবৃত্তরা আমাকে হত্যার উদ্যোশে আমার দিকে তেড়ে আসে। আমি দৌড়ে পালিয়ে প্রাণে রক্সা পায় । যুবদল নেতা মুজিবকে কারা গুলি করে হত্যা করেছে তার স্বজনেরা কেউ কিছু বলতে পারেনি । ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাউজান থানার পুলিশ রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে নিহত যুবদল নেতা মুজিরের লাশের সুরুতহাল ও আলামত সংগ্রহ করেন । রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, যুবদল নেতা মুজিব হত্যার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল অলিমিয়ার হাট, ও হাসপাতালে পুলিশ উপস্থিত হয়ে তার স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে তথ্য নেয়। রিহক যুবদল নেতা মুজিবের লাশ ময়ন তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকান্ডের সাথে কারা জড়িত পুলিশ তাদের ধরতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

উল্লেখ্য যে গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাউজানে ১৮টি হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়। ত্রয়োদশ সংসদ নিবাচন চলাকালে রাউজানে সেনাবাহিনী বর্ডার গার্ড র‌্যাব পুলিশের উপস্থিতিতে কোন হতাহতের ঞটনা সংগঠিত হয়। নির্বাচনের পর গত রমজান মাসে গত ২০ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার ইফতারের সময়ে রাউজান পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকায় শ্রমিক দল নেতা মেহেদি হাসানকে হত্যার উদ্যোশে গুলি করে দুবৃত্তরা। গুলিতে মারাত্বক ভাবে আহত হয়ে শ্রমিক দল নেতা মেহেদি হাসান হাসপাতালে চিকিৎিসাধিন রয়েছে। নির্বাচনের পর ২৫ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) ইফতারের পর পর অলিমিয়ার হাটে দুবৃত্তের গুলিতে নিহত হলেন যুবদল নেতা মুজিব।