শফিউল আলম, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ করেনা ভ্ইারাসের প্রাদুভার্ব শুরু হওয়ার পর থেকে রাউজানের সাংসদ রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকির্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী ও তার পুত্র তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরী রাউজানের দুস্থঃ মানুষের পাশে রয়েছে। রাউজানের সাংসদ রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকির্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী ও তার পুত্র তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরী রাউজানে ত্রাণ তহবিল গঠন করে ৬৫ হাজার দুস্থঃ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী, সব্জি, মাছ, মাক্স, হ্রঅন্ড স্যনিটেজার নিজেই ও রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজানের কর্মকর্তা ও সদস্যরা ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন । দুস্থঃ মানুষ ছাড়াও রাউজানের ৭শত মসজিদের ১৪শত ইমাম মুয়াজ্জিন, সনাতনী সম্প্রদায়ের মান্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ব ধর্মী অনুসারীদের বিহারের ভিক্ষুদের খাদ্য সহয়তা প্রদান করে আসছেন । এছাড়া ও তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরী রমজানের প্রথম দিন থেকে রাউজানে রান্না করে করোনা যুদ্বে অবর্তিন রাউজান ও চট্টগ্রাম নগরীর সরকারী বেসরকারী হাসপাতালের ২ হাজার চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের রাতের সেহেরীর খাবার পৌছে দিচ্ছে হাসপাতালে । করেনা ভাইরাস মেকাবেলায় সরকার থেকে রাউজানে এপয়ৃন্ত ১শত ৪২ মেট্রিক টন চাউল, ৫লাখ ৫০ হাজার টাকা, রাউজান পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ২ হাজার ৪শত জন হৃত দরিদ্র দুস্থঃ পরিবারকে ও, এম এস কার্ডের আওয়তায় প্রতি কেজি ১০ টাকা করে প্রতিজনকে ২০ কোচি চাউল বিক্রয় কর্মসুচি চালু করা হয়েছে । রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকির্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনায় সরকারী বরাদ্ব পাওয়া চাল ও টাকা রাউজানের ১৪ টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় হৃত দরিদ্র দুস্থঃ কর্মহীন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেয়ারম্যান, মেম্বার, পৌরসভার কাউন্সিলরদের মাধ্যমে সুষ্টভাবে বিতরন করা হচ্ছে বলে জানান রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ, রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ । রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী বরাদ্ব ছাড়া ও রাউজানে ৬৫ হাজার দুস্থঃ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, রাউজানের ২ হাজার ৪শত জন মসজিদের ইমাম. মুয়াজ্জিন, মন্দিরের পুরাহিত, বিহারের ভিক্ষুদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ও চট্টগ্রাম নগরী রাউজানে সরকারী বেসরকারী হাসপাতালের ২ হাজার চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে রমজানের শুরু থেকে প্রতিিিদন রাতেই সেহেরীর খাবার হাসপাতালে হাসপাতালে পৌছে দেওয়া হচ্ছ্ ে।











