১১ জুন কেপিএম সিবিএ নির্বাচন

প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে দুই শ্রমিক সংগঠন

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি
কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনাস্থ কর্ণফুলী পেপার মিলস (কেপিএম) লিমিটেডের সিবিএ নির্বাচন আগামী ১১ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন একাধারে ৩ মেয়াদে সিবিএ’র ক্ষমতায় থাকা কেপিএম শ্রমিক কর্মচারী পরিষদ। তারা “চাকা” প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে। অপরদিকে তাদের একমাত্র প্রতিদ্বন্ধি শ্রমিক সংগঠন কেপিএম ওয়ার্কস ইউনিয়ন “ছাতা” প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। মোট
১৫৪ জন শ্রমিক কর্মচারী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
এদিকে, রবিবার (৯ জুন) কেপিএম এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে কেপিএম মিল সংলগ্ন এলাকা সহ আবাসিক এলাকায়। কর্মব্যস্থতার ফাঁকে ফাঁকে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মিল এলাকায় গণসংযোগ করছেন এবং কেপিএম মিলকে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
কেপিএম শ্রমিক কর্মচারী পরিষদের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা শ্রমিক কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া বাস্তবায়ন করেছি এবং কিছু দাবি দাওয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা পূনরায় নির্বাচতি হলে বাকি দাবি দাওয়া পূরণে যা যা করণীয় তা করবো এবং কেপিএম কে তার পুরানো ঐতিহ্য ফিরে আনতে সর্বাত্বক চেষ্টা করবো।
কেপিএম শ্রমিক কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবু সরোয়ার বলেন, ১১ জুনের সিবিএ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। নির্বাচিত হলে শ্রমিক কর্মচারীদের মান উন্নয়ন ও মিলের উন্নয়নে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।
কেপিএম ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সভাপতি
গাজী নাছির উদ্দিন বলেন, সিবিএ নির্বাচনে আমরা যদি নির্বাচিত হই, তাহলে শ্রমিকদের বিভিন্ন অডিট আপত্তি, পাহাড়ি ভাতা সমস্যার সমাধান সহ শ্রমিক কর্মচারীদের প্রমোশনের বিষয়টি সুরাহা করবো।
কেপিএম ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এমরান হাসান বলেন, বিগত সিবিএ নেতৃবৃন্দ শ্রমিক কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা নির্বাচিত হলে সকল দাবি পুরণ করবো।
কেপিএম লিমিটেডের জিএম (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আগামী ১১জুন কেপিএম প্রশাসন নির্বাচন পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে গত ৮ জুন আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা করা হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি নির্বাচনী আচরণবিধী পর্যবেক্ষণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহায়তা করছেন। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু আছে বলে তিনি জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, এক সময় কেপিএমে সিবিএ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার। বদলী, অবসর, মৃত্যুজনিত কারণ সহ নতুন নিয়োগ না হওয়ায় শ্রমিক, কর্মচারীর সংখ্যা দিনদিন কমে যায়।