দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে সরকার

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির প্রস্তুতি সভায় মাহবুবের রহমান শামীম

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষা কারিকুলামে নীতি আদর্শহীন, অনৈতিক ও মেধাহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে সরকার। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষায় নকলের সুযোগ করে দিয়েছে। একটি দেশের শিক্ষাক্রম অনুকরণ করে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। গোটা জাতির মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়ার অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই শিক্ষা কারিকুলাম চালু করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে সরকার। এই কারিকুলাম একমুখী শিক্ষা হওয়ার ফলে বহুমুখী শিক্ষা হারিয়ে যাচ্ছে। যে সরকারের আমলে খাতায় না লিখেও পাশ করিয়ে দেয়া হয়, সেই সরকারের নীতিতে শিক্ষার গুণগত মান কখনোই উন্নত হবে না। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে প্রশ্ন ফাঁস ও নকল বন্ধ করে শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছিলেন।

তিনি শুক্রবার (৭ জুন) বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিএনপির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্টান সফল করার লক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির প্রস্তুতি সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিএনপির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন মজুমদার, ভিপি হারুনুর রশীদ, সহ গ্রাম সরকার সম্পাদক বেলাল আহমেদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, মশিউর রহমান বিপ্লব।

এসময় সভাপতির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমান ভোটার বিহীন সরকারের ঘোষিত বাজেটে শিক্ষা খাতে মাত্র ১১ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অথচ শহীদ জিয়া শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষা সফর করতেন। তিনি বিএনপির ঘোষণা পত্রের ২১ নম্বর ধারায় গণমুখী ও জীবন নির্ভর শিক্ষা কর্যক্রম সংযুক্ত করেছিলেন। ১৯৮০ সালে তিনি দেশে গণশিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন। শিক্ষাবঞ্চিত বয়স্ক বিশাল জনগোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। পরবর্তীকালে দেশবাসী এই গণশিক্ষার সুফল পায় এবং এখনো পাচ্ছে। শহীদ জিয়াউর রহমানই মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন করেছিলেন।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সি. সহ সভাপতি সাবেক এমপি এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম, উত্তর জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক এম এ হালিম, ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. আবদুর রহমান, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. মামুনুর রশীদ মামুন, বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজা, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইস্কান্দার মির্জা, আবদুল মান্নান, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, আলহাজ্ব সালাউদ্দীন, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, সরওয়ার আলমগীর, লক্ষীপুর জেলা বিএনপির নিজাম উদ্দীন ভূইয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মন্জুর উদ্দিন চৌধুরী, মঈনুল আলম ছোটন, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল্লাহ বাহার, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মন্জুর উদ্দিন তালুকদার, শফিকুল ইসলাম রাহী, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আকবর আলী, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রবিউল হোসেন রবি, চবি ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কামরুদ্দিন সবুজ, মহানগর ছাত্রদলের সি. যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন প্রমূখ।