সাধনা দৃঢ়তা একাগ্রতা থাকলেই মানুষ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে

চট্টগ্রামের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. আজিজ আহমেদ ভূঁঞা বলেছেন, সাধনা দৃঢ়তা এবং একাগ্রতা থাকলেই যেকোনো মানুষ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। বাধাকে বাধা না ভেবে এগিয়ে যাওয়াকে প্রাক প্রস্তুতি হিসেবে গ্রহণ করে দৃপ্ত শপথের বলিয়ান হওয়ার মধ্য দিয়ে মানব জীবনের বিজয় সুনিশ্চিত।
তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বিজয়ী ডা.বাবর আলী। এই অর্জন সমগ্র বাঙালি জাতির।

সোমবার (৩ জুন) চট্টগ্রাম জেলা পিপি কার্যালয়ের উদ্যোগে চট্টগ্রামের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী বাবর আলীকে সংবর্ধনা অনুষ্টানে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবর্ধিত অতিথি ডা. বাবর আলী বলেন, জীবনের স্বপ্ন ছিলো এভারেস্টের চূড়ায় উঠে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো। এই কাজটি করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। কাজটি কোনো ভাবেই সহজ ছিলো না। ত্রিমাত্রিক আবহাওয়া এবং প্রচণ্ড বৈরী পরিবেশেকে উপেক্ষা করে জীবন বাজি রেখে লক্ষ স্থির করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যে দিয়ে বিজয় অর্জন করেছি। যাত্রা পথে অনেক পূর্বসূরীদের মরদেহ দেখেও লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যেতে হয়েছে।

তিনি যুব সমাজকে মাদক এবং অপসাংস্কৃতির কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। সুস্থ শরীর ও শিক্ষা একজন যুবককে কর্মক্ষম এবং উজ্জীবিত রাখে। আমাদের প্রজন্মকে দেশের বোঝা না হয়ে সম্পদ হিসেবে তৈরি করার পরিকল্পনা নিতে হবে এবং সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রজন্মকে তৈরি থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, ডা. বাবর আলীকে সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে আমার প্রজন্মকে উজ্জীবিত এবং তেজোদীপ্ত করতে চাই। যেকোনো ব্যক্তির সফলতাকে সংবর্ধনার মাধ্যমে স্বীকৃতি দিলে ঐ ব্যাক্তির কর্ম উদ্দীপনা এবং নতুন সৃষ্টিশীল কাজে গতি পায়।

সভায় সংবর্ধিত অতিথিকে ক্রেস্ট এবং ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে জেলা ও দায়রা জজ ড. আজিজ আহমেদ ভুঞা জাজশীপের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।

অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ মহসিন ও আজাহারুল হকের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এইচ এম শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ খায়রুল আমিন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ইব্রাহীম খলিল ও অ্যাডভোকেট জাহেদুল ইসলাম প্রমুখ।