মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ইতিহাসের অংশ

শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীতে বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে ডা. শাহাদাত হোসেন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালোরাত্রিতে জাতি যখন দিশেহারা তখনই নেতৃত্বশূণ্য জাতিকে মুক্তি দিতে এগিয়ে এসেছিলেন জিয়াউর রহমান। এই ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে তিনি পাক বাহীনির বিরুদ্ধে “উই রিভোল্ট” বলে বিদ্রোহ ঘোষনা করেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে তিনি চুপ করে বসে ছিলেন না। তিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন আবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের মাঠে থেকে দেশকে স্বাধীন করেছেন। সেদিন আওয়ামীলীগের অনেক নেতাই পার্শবর্তী দেশে চলে গিয়েছিলেন। ৭১ সালে যাদের জন্ম হয়েছে তারাও আজকে আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা হয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ইতিহাসের অংশ। এটাই ইতিহাস। এর বাইরে আর কোন বক্তব্য থাকতে পারেনা। কিন্তু আওয়ামীলীগ এখন নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত ও মিথ্যা ইতিহাস শিখাচ্ছে। তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে ২ নং গেইট ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা ও স্বাধীনতাযুদ্ধে ঐতিহাসিক ভূমিকায় তার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল জনগণের মধ্যে। তিনি প্রচলিত ধারার রাজনীতির বাইরে নতুন একটি রাজনৈতিক তত্ত্ব মানুষের সামনে হাজির করেন। জনগণ তার সে রাজনীতিকে গ্রহণ করেছিল। তার ১৯ দফা কর্মসূচিকে এদেশের মানুষ তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথনির্দেশক বলেই গ্রহণ করেছিল। আবুল হাশেম বক্কর বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের আকাশে জিয়াউর রহমান এক উজ্জল নক্ষত্র। তিনি জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে শেখ মুজিবর রহমান সরকারই জিয়াউর রহমানকে বীরউত্তম উপাধি দিয়েছিলেন। এখন রাজনৈতিক মতানৈক্যের কারণে আওয়ামীলীগ দেশ ও জাতির জন্য তার অবদানকে অবমূল্যায়ন করছে। এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এড. আবদুস সাত্তার, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, নিয়াজ মো. খান, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মো. কামরুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, পাঁচলাইশ থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, ডবলমুরিং থানার সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, কেন্দ্রীয় জাসাসের সদস্য আমিনুল ইসলাম, মহানগর বিএনপি নেতা অধ্যাপক জন্টু বড়ূয়া, একেএম পেয়ারু, ইদ্রিস আলী, ইসমাইল বাবুল, আবু মুছা, নকিব উদ্দিন ভূঁইয়া, আলী আজম চৌধুরী, ইউছুপ শিকদার, বুলবুল আহমেদ, মহানগর জাসাসের আহবায়ক এম এ মুছা বাবলু, সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ শিপন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ, ইলিয়াছ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ, সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, হাসান ওসমান চৌধুরী, ফিরোজ খান, মহানগর ছাত্রদলের সি. যুগ্ম আহবায়ক আসিফ চৌধুরী লিমন প্রমুখ।