সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সম্পৃতির প্রতীক ছিলেন

৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে ডা. শাহাদাত হোসেন 

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, হাটহাজারী থেকে বার বার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ছিলেন বিএনপির এক অনুপ্রাণিত নেতা। প্রতিষ্টার পর থেকে চট্টগ্রামে বিএনপিকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। রাজনীতির মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি গাইবান্ধা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সম্পৃতির প্রতীক ছিলেন। তিনি হাটহাজারীর উন্নয়নের জন্য দীর্ঘদিনের কান্ডারী ছিলেন। দল এবং এলাকার মানুষের কল্যাণে অবদানের জন্য তিনি আমাদের নিকট স্মরনীয় হয়ে থাকবেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটকালে সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মত সংগ্রামী নেতার খুবই প্রয়োজন ছিল। তার সম্পৃতির এ আদর্শ অনুকরণ করতে পারলে আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পারবো। তিনি মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে লালিয়ার হাট জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে হাটহাজারীর সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের কবর জিয়ারত ও ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনকালে এসব কথা বলেন। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হাটহাজারী উপজেলা, পৌরসভা ও বায়েজিদ থানা বিএনপি প অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম একজন নির্লোভ, নিরহঙ্কারী ও চট্টগ্রাম দরদি মানুষ ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে আজীবন কাজ করে গেছেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে তার সাহসী ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তিনি শুধু চট্টগ্রামের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের নেতা। তিনি হাটহাজারীতে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়ে পরপর চারবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। তাঁর ত্যাগ, শ্রম ও মেধার মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সদস্য আবুল হোসেন চেয়ারম্যান, উত্তর জেলা যুবদলের সহ সভাপতি সৈয়দ ইকবাল হোসেন, বায়েজিদ থানা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি সৌরভ প্রিয় পাল, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হক, আবু তাহের, ফিরোজ খান, নাসির উদ্দিন, মোর্শেদ আলম, মো. মানিক, শাহাদাত চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, বায়েজিদ থানা যুবদল নেতা আলমগীর মাহমুদ, মো. আলাউদ্দিন, হারুন রশিদ, মোস্তাক আহমেদ, সুজা মিয়া, মো. নাদিম, মো. বেলাল, আবুল কালাম, মোজ্জাফ্ফর আহমেদ, মহিলাদল নেত্রী মুর্শেদা পারভীন, লাকী আকতার, যুবদল নেতা তাজুল ইসলাম, আজগর খান, জাহেদুল আলম, দুলাল খান, সাবেক ছাত্রদল নেতা জাবেদ উমর, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. শফি, মো. ইদ্রিস, হেলাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, রবিউল হোসেন, ছাত্রদল নেতা এম জি কিবরীয়া, রাশেদ মিয়া, মিজানুর রহমান, মো. রিজভী, মিরাজুল ইসলাম, মো. আরফাত, মো. জাকারিয়া, মো. পারভেজ, মো. রাকিব, মো. হাসান প্রমূখ।