চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসের আশঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের সব বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।


ওমর ফারুক জানান, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার/ ২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (৮৯ মিলিমিটার অথবা তার চেয়ে বেশি/ ২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। ভারী বর্ষণের প্রবণতা মঙ্গলবার (২৮ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

রেমালের প্রভাবে বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়কে জলাবদ্ধতায় মানুষ দুর্ভোগে পরে। ছবি: ফোকাস বাংলারেমালের প্রভাবে বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়কে জলাবদ্ধতায় মানুষ দুর্ভোগে পরে। ছবি: ফোকাস বাংলা

ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন– খুলনার লাল চাদ মোড়ল (৩৬); সাতক্ষীরার শওকত মোড়ল (৬৫); বরিশালের জালাল সিকদার (৫৫), মোকলেছ (২৮) ও লোকমান হোসেন (৫৮); পটুয়াখালীর শহীদ (২৭); ভোলার জাহাংগীর (৫০), মাইশা (৪) ও মনেজা খাতুন (৫৪) এবং চট্টগ্রামের ছাইফুল ইসলাম হৃদয় (২৬)।

চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা

বিকেলে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালে এখন পর্যন্ত ১৯টি জেলা ও ১০৭টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪শ’ ৮৩টি ঘরবাড়ি এবং আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯শ’ ৯২টি বসতবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।