নান্দাইলে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, গুলি, আহত ৩৫

একদফা দাবি ও তফসিল বাতিলের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের দ্বিতীয় দিনে নান্দাইলে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। হরতাল ও অবরোধের সমর্থনে বিএনপির মিছিলে পুলিশের বাধা দেয়ায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। পরে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের এসআই কামাল হোসেন ও পুলিশ কনস্টেবল জাহিদুলসহ বিএনপি’র ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সুমন মিয়া ও নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদুজ্জামান রাশেদ ঘটনাস্থল যান। এ সময় বিএনপি’র এক কর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য ও উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসের খান চৌধুরী সমর্থিত নেতাকর্মীরা মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বেলালাবাদ গ্রাম থেকে একটি অবরোধ মিছিল বের করে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে মাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উঠতে চাইলে পুলিশ বাধা প্রদান করে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়লে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।

বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ছোড়া টিয়ার শেল ও রাবার বুলেটে বিএনপি নেতা খাইরুল ইসলাম মানিক, বাদল মিয়া, সোহেল, আব্দুল জলিল, ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান খান ইভাদ, সাহাদাত হোসেন রাব্বী, দেলোয়ার হোসেন রানা ও হৃদয় হাসানসহ ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সুমন মিয়া বলেন, মিছিলটি ময়মনসিংহ টু কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে উঠতে চাইলে তাদেরকে নিষেধ করা হয়। পরে নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পুলিশের উপর চড়াও হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪টি টিয়ারশেল ও ১৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে। উক্ত ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।